Nishitho Trisha PDF – Pritthiraj Sen – নিশীথ তৃষা

Nishitho Trisha PDF  – আমদের এখান থেকে লেখক Pritthiraj Sen এর লেখা নিশীথ তৃষা পিডিএফ বই Download করে নিতে পারবেন সহজে। নিচেই বইটির ডাউনলোড লিংক পাবেন।

Nishitho Trisha PDF সম্পর্কে আরোও কিছু তথ্যঃ

বইয়ের নাম নিশীথ তৃষা
লেখকের নাম Pritthiraj Sen
উইকিপিডিয়ায় লেখক সম্পর্কে
টাইপ পিডিএফ
ভাষা বাংলা
বইয়ের ধরণ ১৮+

Nishitho Trisha PDF এর প্রথম কিছু লাইন – ১

আপনি নাম ভুল করছেন, রীনা নয় রীমা হবে।

হতে পারে। আমার কাছে ওর ঠিকানা নেই। ওর ঠিকানাটা বলতে পারেন ?

-আপনি ব্যাঙ্কের কেয়ার অঙ্কে চিঠি দিন আমরা পাঠিয়ে দেব। এ রকম নেগেটিভ উত্তর আশা করেছিলাম।

-ওকে, ধন্যবাদ। নােটগুলাে পকেটে রেখে ব্যাঙ্ক থেকে বেরিয়ে এলাম। এই আমার প্রথম পদক্ষেপ। এবার বুঝতে পারলাম রেকর্ড কার্ড কোথায় রাখা হয়। সেই জায়গা অবধি পৌছুতে হবে।

তারপর একটা সম্ভার হােটেলে ঘর ভাড়া নিলাম। ওখান থেকে ফোন করলাম প্যাসিফিক অ্যাণ্ড ইউনিয়ন ব্যাঙ্কে। ম্যানেজার ফোন ধরল। নাম বললাম এত ওয়াজ মাষ্টার্স, বিজনেসের কথাবার্তা বলতে চাই। পরের দিন দশটীয় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নিলাম।

পরের দিন ম্যানেজারের কামরায় হাজির হলাম। পরিচয় দিলাম বিল্ডিং কাকটর ফার্ম-এর প্রতিনিধি। হেড অফিস সুইয়র্কে, লস এঞ্জেলসে একটা শ্রাফ পােলার ইচ্ছে আছে এবং এই ব্যাঙ্কে একটা অ্যাকাউন্ট খুলতে চাই, বিশ লাখ ডলার দিয়ে।

ব্যাপারটা কর্ণগোচর হতেই আমাকে শাসালাে পার্টি ভেবে তেল দিতে শুরু করল ম্যানেজার। সাহায্যের হাত বাড়ালেন। আমি সুযোগ হাত ছাড়া করলাম না। বললাম।

—অাপনার অফিস ইকুইপমেন্ট সিস্টেম খুব আধুনিক। আমার অফিসেও এ রকম করতে চাই। এ ধরনের ইকুইপমেন্ট সাপ্লাই করে কারা ?

—চ্যাগুলার অ্যাপ্ত ক্যারিংটন।

Nishitho Trisha PDF এর প্রথম কিছু লাইন – ২

আমারে কাজ কারবার আপনাদের মত। সারা দেশে আমাদের অসংখ্য ক্লায়েন্ট রয়েছে। তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়। এজন্য রেকর্ড রাখা খুব জরুরী। আপনাদের এখানে রেকরা মেসিনটা দেখে লােক হয়।

রিয়েলী। দামী বটে মেসিনটা তবে কাজ ও দেয় অদ্ভুত। আপনি একবার দেখে আসতে পারেন কি সুপার্ব কাজ করে মেশিনটা। আমি যেন এই চাইছিলাম ।

আমার একজন ক্লার্ক নিয়ে এল মেশিনটা লেখাতে। ক্লার্ক আমার বুঝিয়ে চলেছে মেশিনটা কি ভাবে কাজ করে।

=আমাদের সাক্ষে তিন হাজার ক্লায়েন্ট আছে। প্রত্যেক ক্লায়েন্টকে নাম্বারিং করা হয়েছে। নম্বরের লিষ্ট টাঙ্গিয়ে রাখা হয়েছে দেয়ালে।

কান্তটা দেখলাম। দ্রুত পড়ে নিলাম নামগুলো। সেখানে রীমার নাম পেলাম। রীম মার্শাল ২৯৯৭। নম্বরটা মনে মনে টুকে নিলাম।

নম্বর দেবে। এই বােতাম নম্বরটা পাঞ্চ করে দেয় সঙ্গে সঙ্গে সেই নম্বরের কাছটা বেরিয়ে আসে।

—শুনতে বেশ ভালই লাগছে। কাজ কেমন করে ?

—খুব সুন্দর। দেখুন একবার। আমাদের লিষ্টের প্রথম নম্বরের মালিক আর অ্যাটকিন্স। বলেই একটা বোতাম টিপল। সঙ্গে সঙ্গে মেশিনের ট্রেতে চলে এল একটা কাজ। সেই কার্ডের উপর লেখা অ্যাটকিন্স বড় বড় অক্ষরে।

—আমি একবার দেখি ?

আমি টিপলাম ১৯৯৭ সংখ্যাটি। কা বেরুল রীমা মাশালের। তাতে ঠিকানা লেখা। অ্যাকাউন্ট। সাস্থা বারবা। ক্রেটি দশ হাজার ডলার।

আধ ঘণ্টা পর সান্তা বারবার পথে পাড়ি দিলাম। ইউনিয়ন অপ্তি প্যাসিফিক ব্যাংক খুঁজে পেলাম। ছোট ব্রাঞ্চ অফিস। ব্যাঙ্কের সামনেই ছােট একটা হােটেল। ছােট খাট একটা ঘর ভাল্কা নিলাম হোটেলের। ঘরের ব্যানালার সামনেই ব্যাংকের গেট। একটা চেয়ার টেনে বসলাম নিলার পাশে। কিন্তু সারাদিনে ও রীমাকে আশেপাশে দেখা গেল না। পরের দিন সকাল অবধি অপেক্ষা করতে হল। কিন্তু রীমার খোঁজ পাওয়া গেল না।

দুটো দিন উদভ্রান্তের মত কাটিয়ে সকাল এগারোটায় অফিস এলাম প্লেনে। ওরবে আমায় দেখেই ছুটে এল। দেখে মনে হল কদিন যেন ‘ও খুমোয় নি। ওকে দেখে আমার শরীরে একটা হিমপ্রহাহ বয়ে গেল।

কোথায় ছিলে । বোর্পের গলা থমথমে। সবিতা…।। —কি হয়েছে? কি ব্যাপার।

-খারাপ খবর জ্যাক। অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। আমার শরীর কাঁপছে কথাটা শোনার পর খুব চোট পেস্নেছে।

নিশীথ তৃষা PDF Download

পাশের লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন Nishitho Trisha PDF বইটি।–> ❤️ডাউনলোড বই❤️

 

চিত্রা দেব এর PDF ডাউনলোড  করতে কোনো সমস্যা হলে কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন। অন্যান্য সকল বই বা অন্য কোনো বই ডাউনলোড করতে চাইলে আমাদের সাইটে প্রতিদিন ভিজিট করুন এবং যেকোনো সমস্যা বা নিয়মিত বইয়ের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক এবং ফলো করে করে সাথে থাকুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top