Megheder Din PDF Download- মেঘেদের দিন সাদাত হোসাইন PDF

Megheder Din PDF Download- মেঘেদের দিন সাদাত হোসাইন PDF Download- আমদের এখান থেকে লেখক সাদাত হোসাইন এর লেখা মেঘেদের দিন বই PDF (Megheder Din PDF Download) করে নিতে পারবেন সহজে। নিচেই বইটির ডাউনলোড লিংকটি পাবেন। Megheder Din PDF Download

Megheder Din (মেঘেদের দিন) Book PDF সম্পর্কে আরোও কিছু তথ্যঃ

বইয়ের নাম মেঘেদের দিন
লেখকের নাম সাদাত হোসাইন
উইকিপিডিয়ায় লেখক সম্পর্কে
টাইপ পিডিএফ
ভাষা বাংলা
বইয়ের ধরণ উপন্যাস

মেঘেদের দিন PDF এর কিছু অংশ- ১

দীর্ঘদিনের জন্য তাকে নিয়ে শীলতলি চলে গেলেন। মারুফের আপন মানি মারা গিয়েছিলেন বহু আগেই। তার নানী পরে আবার বিয়ে করেছেন। সেই ঘরে তাদের দুটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। পুত্রসন্তানদের নাম আলাল আর ললি।

মারুফের মা আছমা আখতার দীর্ঘদিনেও বাবার সেই দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পারেন নি। ফলে বিয়ের পর বাবার সঙ্গে আর কোনাে যােগাযোগ বাখেন নি তিনি। কিন্তু সেবার একপ্রকার বিপদে পড়েই তাকে নীলছলি যেতে হয়েছিল। মারুফের নানা অবশ্য কন্যা ও নাতির যত্নের কোনাে কমতি রাখেন নি। মারুফের সৎ নানিও মানুষ হিসেবে ভালাে। আছমা আখতারের সাথে তার বয়সের পার্থক্য বছর দশেকের হলেও একটা মা মা ব্যাপার তিনি রপ্ত করে ফেলেছিলেন। তার পিঠাপিঠি দুই পুত্র আলাল-দুলাল মারুফের চেয়ে বছর ছ-সাতের বড়। সেই বয়সেই তারা দেখতে-শুনতে বেশ দশাসই হয়ে উঠেছিল। আচার-আচরণেও খানিকটা দূরন্ত।

মারুফের এখনাে স্পষ্ট মনে আছে, আলাল আর দুলাল হোই মারুফকে সারাক্ষণ কোলে কাঁধে নিয়ে ঘুরত। বাড়ির উত্তর দিকে টলটলা জলের বিশাল পুকুর। সেই পুকুরের চারপাশ জুড়ে হিজলগাছ। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে সেই হিজ্জালগাছি ফুলে ফুলে ছেয়ে থাকত। কাকভােরে মারুফ যখন মামাদের সঙ্গে পুকুরপাড়ে বড়শি তুলতে যেত, তখন তার চোখে লেগে থাকত বিস্ময়ের ঘাের! পুরাে পুকুরের জল ছেয়ে থাকত ললি হিড়াল ফুলে। যেন পুকুরের জলে। কেউ রং মাখিয়ে রেখেছে। সে এক অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য!

মারুফ এখনাে চোখ বন্ধ করলেই সেই দৃশ্য দেখতে পায়। বুকের ভেতর | তখন কেমন আকুলি-বিকুলি করে ওঠে! মনে হয়, সে যদি এক্ষুনি ছুটে যেতে পারত সেই পুকুরপাড়ে, সেই হিজলগাছের তলায়, সেই ঝুম বৃষ্টির টিনের দোতলা ঘরে!

প্রায় পঁচিশ বছর পর আবার নীলতলি যাচ্ছে মারুফ। সেবার বাবা মায়ের ঝামেলা মিটে যাওয়ার পর আর নানাবাড়ি যাওয়া হয় নি তার। নানার মৃত্যুর সময় ক্লাস এইটের বৃত্তি পরীক্ষা চলছিল বলে যেতে পারে নি সে। তার মা। আছমা আখতারও সেবারই শেষ গিয়েছিলেন। তারপর সৎ মা কিংবা ভাইদের সাথে আর সেভাবে কোনাে যােগাযােগও হয় নি তাঁর। | তা ছাড়া আরও পরে, একটু দেরি করেই মারুফের মা-বাবা দ্বিতীয় সন্তান নিয়েছিলেন। তাদের সেই দ্বিতীয় সন্তানের নাম সােহান। সমস্যা হচ্ছে।

মেঘেদের দিন PDF এর কিছু অংশ- ২

কাফের এই ছেনিকি ঠিকঠাক কাকতেন। এর মরেও বেশি। দাড়াতে পারে মা সারক্ষণ ভীষণ দুরি মা ভেঙে পড়লেল নীলতলির

মারুফের এই ছোটভাইটি শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে হাঁটতে পারে না। উঠে বাড়াতে পারে না। এমনকি ঠিকঠাক কথাও বলতে পারে না। এই নিয়ে মারুফের বাবা-মা সারক্ষণ ভীষণ দুশ্চিন্তায় থাকতেন। এর মধ্যে হঠাৎ করেই মারুফের বাবা মারা গেলেন। মারুফের মা ভেঙে পড়লেন আরও বেশি। কারও সঙ্গেই অার কোনাে ধরনের যােগাযােগ রইল না তাঁর। ফলে নীলতলির সঙ্গে মারুফদের অদৃশ্য সম্পর্কের অতি সামান্য যে সুতােটুকু ছিল, সেটুকুও মুছে গেল অতি দ্রুত।

তবে আজ এত বছর পর মারুফ যে আবার নীলতলি যাচ্ছে, তা আসলে ইট করে নয়। বরং বহু বছর ধরেই এই ইচ্ছেটা সে অবচেতনে বুকের ভেতর

তানিয়ার সঙ্গে যখন পরিচয়, তারপর প্রেম, ঠিক তখন থেকেই। তানিয়ার বর্ষাকাল অসম্ভব পছন্দ। কোনাে একদিন নীলতলিতে নানাদের সেই হিজল ফুলে ছাওয়া পুকুরের পাশে বসে তানিয়াকে বর্ষাকাল দেখানাের একটা সুপ্ত ইচ্ছে তার ছিল। কিন্তু বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে সােহানকে নিয়ে মা যে শারীরিক ও মানসিক যুদ্ধটা করছেন, তাতে তাকে একা রেখে কোথাও যেতে কখনাে সাহস হয় নি মারুফের। | সেই সুযােগটাই যেন এবার এত বছর পর মিলে গেল। জ্যৈষ্ঠ আসতে না আসতেই টানা বৃষ্টি। সেই বৃষ্টিতে বেশ আগেভাগেই জলে টইটম্বুর হয়ে উঠেছে নদী-নালা, খাল বিল। তার মধ্যে আচমকা এমন ছুটি! মারুফ আর নিজেকে সামলে রাখতে পারে নি। | তার বিশ্বাস ছিল, এখানকার বর্ষা দেখে তানিয়া বিস্ময়ে ডুবে যাবে!

তানিয়াকে চমকে দিতেই চেয়েছিল সে। কিন্তু মারুফের ধারণা ভুল প্রমাণিত করে দিয়ে গতকাল রাত থেকেই থম মেরে আছে তানিয়া। এই আজ দুপুর অব্দিও তা একটুও কমে নি। তার ওপর মাঝ নদীতে গতরাতের তুমুল ঝড় দেখে অারও গুটিয়ে গেছে সে। দুপুর নাগাদ রায়গঙ্খ লঞ্চঘাটে নেমে ঢাকায় চলে যাওয়ার জন্য একদফা ঝগড়াও করেছিল। কিন্তু মারুফ তাতে খুব-একটা গা করে নি। সে নীলতলির পথ ধরেছে। | রায়গঞ্জ থেকে নীলতলির দিকে রাস্তাঘাট এখনাে তেমন হয় নি। আর যা-ও কিছু আছে, বর্ষা আসতে না-আসতেই তা জলে ডুবে বিল হয়ে গেছে। এই সময়টাতে তাই রায়গঞ্জ থেকে নীলতলি যাওয়ার একমাত্র উপায় জলপথ। শেষবার সেই শৈশবে যখন এসেছিল মারুফ, এখনাে স্পষ্ট মনে… 

পুরোটা পড়তে চাইলে আমাদের এখান থেকে  Megheder Din PDF Download করে নিন বিনামূল্যে।

Megheder Din PDF Download লিংক

পাশের লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন Megheder Din PDF বইটি।–> ডাউনলোড বই

মেঘেদের দিন সাদাত হোসাইন PDF(Megheder Din PDF Download) করতে কোনো সমস্যা হলে কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন। সাদাত হোসাইন এর অন্যান্য সকল বই বা অন্য কোনো বই ডাউনলোড করতে চাইলে আমাদের সাইটে প্রতিদিন ভিজিট করুন এবং যেকোনো সমস্যা বা নিয়মিত বইয়ের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক এবং ফলো করে করে সাথে থাকুন।

আপনার জন্য আরো কিছু- 

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top