Black Corridor Bengali Book PDF – ব্ল্যাক করিডর – সমৃদ্ধ দত্ত

Black Corridor Bengali Book PDF by Samriddha Dutta – আমদের এখান থেকে লেখক সমৃদ্ধ দত্ত এর লেখা ব্ল্যাক করিডর পিডিএফ বই Download করে নিতে পারবেন সহজে। নিচেই বইটির ডাউনলোড লিংক পাবেন।

Black Corridor Bengali Book PDF সম্পর্কে আরোও কিছু তথ্যঃ

বইয়ের নাম ব্ল্যাক করিডর
লেখকের নাম সমৃদ্ধ দত্ত
উইকিপিডিয়ায় লেখক সম্পর্কে
টাইপ পিডিএফ
ভাষা বাংলা
বইয়ের ধরণ থ্রিলার

Black Corridor Bengali Book PDF এর প্রথম কিছু লাইন – ১

আপনার সঙ্গে এন কে কথা বলতে চায়। নীরজ কুমার জানতে | চাইলেন এম কে মানে কী? সে আবার কে? ফোনের অন্য প্রান্তে

থাকা লােকটি বিস্মিত। বলল, আপনার ডেস্কে বেটিং এর কেস | এসেছে। আর আপনি এম কে গুপ্তার নাম শােনেননি? সে-ই।

তাে ভারতের ক্রিকেট বেটিং-এর গডফাদার? নীরজ কুমার রাজি হয়ে গেলেন। দিল্লির হােটেল ওবেরয়। রুম নম্বর ৬৫০ এম কে গুপ্তাকে দেখে কেউ বলবেনই না এহেন একজন সাধারণ দেখতে

আন ইমপ্রেসিভ মানুষ দেশের সবথেকে প্রভাবশালী বেটিং | সিন্ডিকেট চালায়। স্যার, চা খাবেন? নীরজ কুমার বললেন, কাম টু দ্য পয়েন্ট! আমার সঙ্গে কী কাজ? স্যার..আমি সারেন্ডার করতে চাই! আমার প্রাণের পিছনে অনেকে আছে। যে কোনও | সময় মার্ডার হয়ে যাব!

জানা গেল ইতিহাস। এক সাধারণ ব্যাংক কর্মী ছিল এই এম | কে গুপ্তা। একটু এক্সট্রা পয়সার লােভ কার না থাকে। তাই প্রথমে সাট্টা এবং রাজ্য লটারিতে টাকা ইনভেষ্ট করত সে। আর তারপর একদিন এক বন্ধুই নিয়ে গেল চাঁদনী চক। গলির গলি তস্য গলি। একটি মাত্র ছােট ঘর। সেখানে হচ্ছে বেটিং। আশির। দশক। তার মানে তখন থেকেই ঢুকে পড়েছে বেটিং! একের পর এক বাজি ধরে এম কে গুপ্তা এতই মুনাফা করতে লাগল যে। একসময় সে ব্যাংকের নিরাপদ চাকরি পর্যন্ত ছেড়ে দিল স্রেফ | ফুল টাইম বুকি হয়ে যাওয়ার জন্য।

১৯৮৮ সালে এম কে গুপ্তা | দিল্লির মাঠে একটি ক্লাব স্তরের ম্যাচ দেখার সময় লক্ষ্য করে এক | তরুণ ক্রিকেটার দারুণ খেলছে। সেঞ্চুরি করল খুব অল্প সময়ে। এন কে বুঝে গেল সে তার প্রথম ঘােড়া পেয়ে গিয়েছে। ভালাে খেলে ফেরার পর ক্লাব কর্তারা কিংবা সমর্থকদের কেউ অথবা | ক্রিকেট ফ্যানরা তরুণ প্লেয়ারদের হাতে, পকেটে টাকা উপহার | দিতেন। এম কে একটু অপেক্ষা করে সরাসরি দু হাজার টাকা। ঢুকিয়ে দিলেন ওই প্লেয়ারের পকেটে। প্লেয়ারটি বিস্মিত। এত টাকা! কে ইনি? সঙ্গে সঙ্গে এক সতীর্থ এসে সেই প্লেয়ারকে বলে দিল চিনে রাখ ইনি এম কে গুপ্তা। তােমার নতুন বন্ধু।

প্লেয়ারের নাম অজয় শর্মা। এন কে কিন্তু ট্যালেন্ট চিনতে ভুল করেননি। দু’বছরের মধ্যে অজয় শর্মা ইন্ডিয়া টিমে চান্স পেল, নিউজিল্যান্ড সফরে। ১৯৯০। তার সঙ্গেই আর এক নতুন প্লেয়ার। দিল্লি থেকে নির্বাচিত। আপাতত ইন্ডিয়া টিনে এম কের দুই এজেন্ট

ঢুকে গেল। সেই শুরু। বেশ লাভ হল। কারণ অনেক ইনপুট | পেয়ে সেই টুর থেকে যথেষ্ট মুনাফা হল। ইন্ডিয়া টেস্ট সিরিজ

পরাজিত হয়ে ফিরে এল। এরপর ইংল্যান্ড। কিন্তু আচমকা। | এম কে’র নিজের দুই প্লেয়ারই টিম থেকে বাদ। এবার উপায়? তাঁরা বলেছিল কোনও চিন্তা নেই। যাঁরা যাচ্ছে তাঁদের মধ্যে দুজনের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিচ্ছি। এই নতুন রিক্রুটদের এম। কে জানিয়ে দিলেন ইংল্যান্ড থেকে সফল হয়ে ফিরলেই মারুতি জিপসি দেওয়া হবে একটা করে। আর অ্যাডভান্স চল্লিশ হাজার। টাকা। এই নতুন অলরাউন্ডার অপ্রত্যাশিত ভালাে পারফরম্যান্স করেছিল। কারণ সে যে নিছক আবহাওয়া, পিচ কন্ডিশন, কোন | ম্যাচে ব্যাটিং অর্ডারের রদবদল হচ্ছে এসব খবরই দিয়েছিল।

Black Corridor Bengali Book PDF এর প্রথম কিছু লাইন – ২

এক অন্য স্তরে। সেই নতুন আলাপ হওয়া মানুষের নাম মহম্মদ | আজহারউদ্দিন। আর এরপর কী হল সেটা তাে বহু চর্চিত এক ইতিহাস। এরপর আর নীরজকুমারের সন্দেহ রইল না কীভাবে এগিয়েছে বেটিং সিন্ডিকেট। গােটা তদন্ত এরপর শুধু গােটানাের পালা। হ্যানসি ক্রোনিয়েকে আজীবনের মতাে ব্যান করা হল | ক্রিকেট জীবন থেকে। কিন্তু এন কে জানিয়ে দিলেন এক অজানা জগতের কথা। জানা গেল নিছক প্লেয়ার নয়।

ফিক্সিং আর বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত সবাই? সবাই মানে কারা? সবাই মানে আম্পায়ার, গ্রাউন্ডসম্যান, টিমের ফিজিও এবং হ্যাঁ মিডিয়ার একাংশ। দেশে বিদেশের বিভিন্ন ম্যাচ কভার করতে যাওয়া সাংবাদিকদের জন্য মিডিয়া রুম দেওয়া হয়।

সংবাদ পাঠানাের জন্য থাকে মেল অথবা ফ্যাক্স করার ব্যবস্থা। প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফ্যাক্সে ম্যাচ শুরুর পর থেকেই কিছু বিশেষ নম্বরে রিপাের্ট পাঠানাে শুরু হয় দুবাই আর জোের ক্যান্স নম্বরে। সাদা এ ফোর সাইজের পেপারে পাঠানাে হয়। কোনও নাম লেখা হয় না। থাকে শুধুই কিছু পরিসংখ্যান। কারা পাঠায়? |

কার কাছে?

যাই হােক সেই আজীবনের ব্যান হওয়ার পর হঠাৎ উধাও ক্রোনিয়ে। কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায় না। শুধু জানা গেল | ক্রোনিয়ে নিজের মতাে করে একটি ব্যাবসায়িক ফামের সঙ্গে, যুক্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছেন আড়ালে। ২০০২ সালে যখন আবার হঠাৎ করে ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে ক্রোনিয়েকে নিয়ে আলােচনা শুরু হল এবং তাঁকে সামগ্রিকভাবেই ভিলেন তকমা দেওয়া হল, | তখনই ক্রোনিয়ে আচমকা জানালেন, আমার অনেক কিছু বলার

আছে। আমি একা কেন এভাবে ভিলেন হয়ে যাব? যাঁরাই যুক্ত। বলে আমি জানি, আমার কাছে প্রমাণ আছে এরকম নাম এবার বলব। সেই তালিকায় নাকি রাজনীতি থেকে সেলেব্রিটি সকলের নাম আছে। হ্যাঁ, ভারত, ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া।

তাই নয়, সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে এসেছিল একঝাঁক আন্তজাতিক | প্লেয়ারের ফোন নম্বর। এম কে আর পিছনে ফিরে তাকাননি। | তিনি হয়ে উঠেছিল ভারতীয় ক্রিকেট সিন্ডিকেটের বেতাজ। | বাদশা। আর নব্বই দশকের মাঝামাঝি তাঁর সবথেকে পুরানাে । সেই কাছের প্লেয়ার আলাপ করিয়ে দিল এমন একজনের সঙ্গে যে আলাপ পরিচয় ভারতের ক্রিকেট কেলেঙ্কারিকে নিয়ে গেল

ব্ল্যাক করিডর PDF Download

পাশের লিংকে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন Black Corridor Bengali Book PDF বইটি।–> ❤️ডাউনলোড বই❤️

 

সমৃদ্ধ দত্ত এর PDF ডাউনলোড  করতে কোনো সমস্যা হলে কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন। অন্যান্য সকল বই বা অন্য কোনো বই ডাউনলোড করতে চাইলে আমাদের সাইটে প্রতিদিন ভিজিট করুন এবং যেকোনো সমস্যা বা নিয়মিত বইয়ের আপডেট পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক এবং ফলো করে করে সাথে থাকুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.

Scroll to Top